• ২ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rid

রাজ্য

অপেক্ষার অবসান! আজই শিলান্যাস গঙ্গাসাগর সেতুর, বদলে যাবে সাগরদ্বীপের ভাগ্য

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। অবশেষে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতু। সোমবার গঙ্গাসাগরে মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সফরেই গঙ্গাসাগর সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। সেতু তৈরি হয়ে গেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট।এই সেতু চালু হলে গঙ্গাসাগরে যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে। পুণ্যার্থী, পর্যটক এবং সাগরদ্বীপের ৪৩টি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এতদিন কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়ায় যাওয়ার একমাত্র ভরসা ছিল নদীপথ। স্টিমার বা নৌকায় করেই চলাচল করতে হত স্থানীয় মানুষদের। বর্ষার সময় বা নদীর জল বেড়ে গেলে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যেত।এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে সেতু নির্মাণের জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি বলেই অভিযোগ রাজ্য সরকারের। শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালে গঙ্গাসাগর মেলা পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যের অর্থেই তৈরি হবে গঙ্গাসাগর সেতু। সেই ঘোষণার পর নতুন আশায় বুক বাঁধেন সাগরদ্বীপের বাসিন্দারা।সোমবার সেই স্বপ্ন বাস্তবের পথে এগোচ্ছে। ভোটের মুখে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের শাসকদলকে কিছুটা হলেও রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে।প্রায় ৪.৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই গঙ্গাসাগর সেতু হবে চার লেনের। সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পূর্ত দফতরকে। গোটা প্রকল্পে খরচ হবে আনুমানিক ১৬৭০ কোটি টাকা। সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। আগামী চার বছরের মধ্যে সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেতুর নকশা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আবার বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু! রবিবার ৭ ঘণ্টার জন্য থমকে যাবে যাতায়াত

বিদ্যাসাগর সেতু আবারও বন্ধ থাকতে চলেছে রক্ষণাবেক্ষণের কাজে। কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি যে দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে যাতায়াত করে, সেই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ একটানা সাত ঘণ্টা বন্ধ থাকবে আগামী রবিবার, ২৩ নভেম্বর। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কোনও গাড়িই উঠতে পারবে না সেতুর উপর। নির্দিষ্ট সময় পেরোলেই যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশন।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতি রবিবারেই সেতুর মেরামতির জন্য যান চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। এর আগেও ১৬ নভেম্বর বিদ্যাসাগর সেতু বন্ধ ছিল দীর্ঘ সময়। ওই দিন ভোর ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেতুর উপর যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। সেতুর হোল্ডিং ডাউন কেবল থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ বিয়ারিংগুলির মেরামতিএই সব কাজই এখন দ্রুতগতিতে চলছে। সেই কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে এবং কোনও দুর্ঘটনা এড়াতে সপ্তাহের শেষ দিনে কয়েক ঘণ্টা করে বন্ধ রাখা হচ্ছে সেতু।এইচআরবিসির ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, দ্বিতীয় হুগলি সেতুর ভার বহন ক্ষমতা বজায় রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য। সেতুর বিশাল তার, বিয়ারিং ও স্টিল স্ট্রাকচার সবই অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই কাজ চলাকালীন যেকোনও দুর্ঘটনা এড়াতে পুরোপুরি যান চলাচল বন্ধ রাখাই নিরাপদ।কলকাতা বা হাওড়া থেকে যাতায়াতকারী মানুষজনকে এই সময় বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। সবচেয়ে সুবিধাজনক বিকল্প পথ হিসেবে খোলা থাকবে হাওড়া ব্রিজ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার সকালে যানবাহনের চাপ বাড়বে বলে অনুমান। তাই আগে থেকেই পরিকল্পনা করে বের হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।একটানা কয়েক রবিবার ধরে বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রীই বিরক্ত হলেও, প্রশাসনের দাবিএই কাজ শেষ হয়ে গেলে সেতু আরও নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে। তাই আপাতত কিছুটা অসুবিধা হলেও সুফল মিলবে ভবিষ্যতে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
কলকাতা

হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ গুলি! প্রতিবেশী প্রেমিকের নাম বলেই লুটিয়ে পড়লেন মহিলা

হরিদেবপুরে সোমবার ভোরের শুটআউট ঘিরে চাঞ্চল্য। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ গুলিবিদ্ধ হলেন এক মহিলা। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত প্রেমিক বাবলু ঘোষকে পাকড়াও করল কলকাতা পুলিশ। ধরা পড়লেন পিটিএসের কাছে একটি গাড়ি থেকে। পুলিশের নজরে এ ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছেকারণ ঘটনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার অভিযুক্ত।পুলিশ সূত্রের খবর, ৫০ বছর বয়সি মৌসুমী হালদার প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই মোটরবাইকে করে দুই যুবক আসে। লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে মৌসুমীর পিঠে। লুটিয়ে পড়েই তিনি আততায়ীর নাম বলে দেনবাবলু। এলাকাবাসীও জানতেন, প্রতিবেশী বাবলু ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল মৌসুমীর।জানা গিয়েছে, বাবলুর মুরগির ব্যবসা ছিল। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর প্রেম। এমনকি চুপিসারে বিয়েও করেছেন তারাএমনটাই ছড়িয়েছিল এলাকায়। বাবলুর মেয়ের বিয়েও হয়ে গেছে। অভিযোগ, কিছুদিন ধরে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন মৌসুমী। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না বাবলু। ওই মহিলাকে সংসার ছেড়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে জোরাজুরি করত। শেষমেশ প্রেমের জটিলতাই রক্তাক্ত পরিণতি নিল।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, বাবলু কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করে সোমবার সকালে গুলি চালায়। এরপর নিজের বাড়ির তালা বন্ধ করে জিনিসপত্র তুলে পালানোর চেষ্টা করে ভাড়ার গাড়িতে। প্রতিবেশীরা গাড়ির নম্বর দেখে রাখেন। সেই সূত্রেই শুরু হয় পুলিশের অভিযান।হরিদেবপুর থানার ওসি প্রসূন দে সরকার ও অতিরিক্ত ওসি সুদীপ্ত দেবঘরিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় অপারেশন। গাড়ির মালিককে ফোন করে খদ্দের সেজে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জানা যায়, গাড়িটি হাওড়ার পাঁচলায় আছে। পুলিশ গাড়ির নম্বর ট্র্যাক করে, আরেক দল পাঁচলার পথে রওনা দেয়।কিন্তু গাড়িটি মাঝপথেই ধরা পড়ে। পিটিএসের কাছে নম্বর মিলিয়ে পুলিশ গাড়ি থামায় এবং ভিতরেই বাবলুকে দেখা যায়। পাঁচলায় পালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের। তার আগেই হাতকড়া পড়ল তার হাতে। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে।দ্রুত পদক্ষেপে এই গ্রেফতারকলকাতা পুলিশের তদন্ত এবং তৎপরতার বড় নিদর্শন হয়ে রইল বলে মত অনেকের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
বিদেশ

ইতিহাস গড়লেন ডোনা! কেমব্রিজে প্রথম ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের কর্মশালা সৌরভ জায়ার

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসাস কলেজের ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ আজ ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের চিরকালীন ছন্দে মুখরিত হলো, যেখানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ওড়িশি নৃত্যশিল্পী প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ জায়া ডোনা গাঙ্গুলি পরিচালনা করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শাস্ত্রীয় নৃত্য কর্মশালা।কেমব্রিজের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচিত হলো এই কর্মশালার মাধ্যমে, যেখানে ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক ও শিল্পপ্রেমীরা ওড়িশি নৃত্যভারতের আটটি স্বীকৃত শাস্ত্রীয় নৃত্যধারার অন্যতমসম্পর্কে একটি গভীর ও বাস্তবধর্মী অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। অংশগ্রহণকারীরা শিখলেন এই শিল্পরূপের মূল ভঙ্গিমা, অভিব্যক্তি এবং এর দার্শনিক ভিত্তি, যা এর আধ্যাত্মিক মূল এবং দুই হাজার বছরের ঐতিহ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।এই কর্মশালায় বিভিন্ন পটভূমি থেকে আগত অংশগ্রহণকারীরা অংশ নেন, যাঁদের অনেকেই প্রথমবারের মতো ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য প্রত্যক্ষ করেন। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির উপর জোর দিয়ে এই অনুষ্ঠানটি এমন সকলকে স্বাগত জানায়, যাঁদের নৃত্যে পূর্বে কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না।এই উপলক্ষে শ্রীমতি ডোনা গাঙ্গুলি বলেন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওড়িশির উত্তরাধিকার ভাগ করে নিতে পারা আমার জন্য এক গৌরবের ও আবেগঘন অভিজ্ঞতা। এই নৃত্য কেবল ভঙ্গিমা নয়এটি এক ধ্যান, ভক্তি ও গল্প বলা। আমি খুবই আনন্দিত এমন উৎসাহী অংশগ্রহণ ও ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ দেখে। এটি কেবল একটি পরিবেশনা নয়, এটি এক ধরনের সাংস্কৃতিক সংযোগ যা শিল্পের মাধ্যমে তৈরি হয়।এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ঐতিহ্যের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে তুলে ধরে এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এটি কেবল শুরুভবিষ্যতে আরও এরকম অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতীয় পারফর্মিং আর্টস নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হবে।কর্মশালাটি বিপুল সাড়া পায়; অংশগ্রহণকারীরা ডোনা গাঙ্গুলির উষ্ণতাপূর্ণ ও অনুপ্রেরণামূলক শিক্ষা এবং নৃত্যের সৌন্দর্যের প্রতি অকুণ্ঠ প্রশংসা জানান। ভবিষ্যতের জন্য আরও সহযোগিতা ও ভারতীয় সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে সম্প্রসারিত কর্মসূচির পরিকল্পনাও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।ডোনা গাঙ্গুলি খ্যাতনামা ওড়িশি নৃত্যশিল্পী ও দীক্ষা মঞ্জরি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, প্রখ্যাত গুরু পন্ডিত কেলুচরণ মহাপাত্রের শিষ্যা এবং ভারত ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবে তাঁর নৃত্য পরিবেশনের জন্য প্রসিদ্ধ। ডোনা জানান তাঁর লক্ষ্য ওড়িশি নৃত্যের সৌন্দর্য ও দার্শনিক ভিত্তি আগামী প্রজন্মের কাছে বিশ্বব্যাপী পৌঁছে দেওয়া।

জুন ১৫, ২০২৫
রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

পাগরিধারী আইপিএসকে 'খালিস্থানি' কটাক্ষ, বিজেপির প্রতি ক্ষোভ উগরালেন মমতা

ফের সন্দেশখালি যাওয়ার পথে এদিনও প্রথমে আটকানো হয় শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি বিধায়কদের। তখন পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান শুভেন্দুরা। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযোগ, এর মাঝেই কর্তব্যরত এক পাগড়িধারী আইপিএস পুলিশ আধিকারিককে খালিস্তানি বলা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। যার প্রতিবাদে মুখর হন মুখ্যমন্ত্রী। একটি ভিডিও পোস্ট করে গর্জে ওঠেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সন্দেশখালি যাওয়ার পথে মঙ্গলবার সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে ধামাখালিতে আটকায় পুলিশ। কেন এই পদক্ষেপ? তা জানতে চেয়ে পুলিশের সঙ্গে চরম বচসায় জড়ায় শুভেন্দু অধিকারীরা। বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের সঙ্গে বিরোধে জড়ান। এসবের মাঝেই পুলিশের ব্যারিকেডের মাঝে মাথায় পাগড়ি পরিহিত এক পুলিশ আধিকারিককে খালিস্তানি বলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম বলার জন্য জসপ্রিত সিং নামে ওই পুলিশ আধিকারিককে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।মুখ্যমন্ত্রীর সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পুলিশ কর্তা জসপ্রিত সিং বারবার তাঁকে খালিস্তানি বলার জন্য প্রতিবাদ করছেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমার মাথায় পাগড়ি আছে বলে আমায় খালিস্তানি বলছেন? আমাকে খালিস্তানি কেন বলছেন? আমি কি খালিস্তানি? এই মনোভাব আপনাদের? এমনকী, এ জন্য তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান। তবে তাঁকে নির্দিষ্ট করে কে খালিস্তানি বলেছে,তা স্পষ্ট করা হয়নি।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, আজ, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি নির্লজ্জভাবে সাংবিধানিক সীমানা অতিক্রম করেছে। বিজেপির কাছে পাগড়ি পরা প্রত্যেক ব্যক্তিই খালিস্তানি? আমি আমাদের শিখ ভাই ও বোনদের খ্যাতি ক্ষুন্ন করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাই, আমাদের জাতির প্রতি তাঁদের ত্যাগ এবং অটল সংকল্পের জন্য সম্মানিত। আমরা বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় দৃঢ়ভাবে রয়েছি এবং এটিকে ব্যাহত করার যে কোন প্রচেষ্টা প্রতিরোধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী এ প্রসঙ্গে বলেন, পাকিস্তান, খালিস্তান এসব আমাদের বলার প্রয়োজন হয় না। আমি বা আমার সাথীদের দ্বারা কাউকে ব্যক্তি আক্রমণ করা হয়েছে বলে বিশ্বাস করি না। ওই অফিসার নম্বর বাড়াতে মমতাকে সঙ্গে নিয়ে এসব করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিম্নমানের রাজনীতি করেন। ওই অফিসারও নম্বর বাড়াতে অসত্য ঘটনা পরিবেশন করছেন।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার বলেন, বিরোধী দলনেতা একজন পুলিশ আধিকারিকদের দেখে তাঁর ধর্ম তুলে কটাক্ষ করছেন। এটা বরদাস্ত করা হবে না। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪
দেশ

ভারতের ‘রকেট ওমেন’, চন্দ্রাভিযানে গুরুদায়িত্ব সামলানো লখনউ-র এই বিজ্ঞানীকে চিনে নিন

চাঁদ মামা এখন দুরের নয় ট্যুরের, সুদুর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরস এই মন্তব্য ঘরে ঘরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। পুর্বনির্ধারিত দিন ও সময় অনুযায়ী বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬.০৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যাণ্ডিং করে ইসরোর চন্দ্রযান-৩। সারা দেশজুড়ে উল্লাস ও উৎসব। ভারতীয় হিসাবে সত্যিই গর্ব করার মত মুহুর্ত। চাঁদ এখন ভারতের বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়।বিক্রমের কাঁধে ভর করে প্রজ্ঞান চাঁদে ল্যান্ড করেই একের পর এক চমক দিতে শুরু করেছে। সফল অবতরণের পর প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠের একটি ছবি তুলে পাঠায় ল্যান্ডার বিক্রম। তাতে দেখা যায় চাঁদের ঠিক কোন অঞ্চলে নেমেছে বিক্রম। এর পরই বিক্রমের অন্তঃস্থল থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান।ইসরো তার সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকালে জানায়,প্রজ্ঞান সঠিক ভাবেই বিক্রমের পেট থেকে চাঁদে ভুমিষ্ট হয়েছে, এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে মুনওয়াকেও বেড়িয়ে পড়েছে সে। ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক স্তম্ভ চাঁদের মাটিতে এঁকে দিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান-৩-এর চুড়ান্ত সাফল্যে অনেকের মতই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন লখনউয়ের প্রবাসী এক মহিলা। ইসরো খুব বড় দায়িত্ব দিয়েছিল এঁর কাঁধে।সম্পুর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইসরোর চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে, তথ্য তল্লাস করতে ঘোরাঘুরিও শুরু করে দিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী হিসাবে প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে সামগ্র বিশ্ব থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমের ওয়াল। আজ প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে এই মুহুর্ত খুব আবেগের, আনন্দের ও অত্যন্ত গর্বের। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহর লখনউতে উৎসবের ঝাঁজ বেশ খানিকটা বেশি। কারণ চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে লখনউ-র এক ভুমিকন্যার যোগসূত্র। এই শহরেরই মেয়ে ডাঃ ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবের কাঁধেই চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের গুরুত্বদায়িত্ব ছিল।ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তব বিজ্ঞানী মহলে ভারতের রকেট ওমেন নামে অধিক পরিচিত। ঋতু করিধাল লখনউ শহরের রাজাজি পুরম এলাকার আদি বাসিন্দা। তার পৈতৃক বাড়ি এখনও রয়েছে এখানে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর তার বাড়িতে উৎসবের মেজাজ। ঋতু এর আগেও ISRO-র অনেক বড় বড় প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি চন্দ্রযান ৩ মিশনে সফল অবতরণের মতো গুরুদায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছিল ইসরোর পক্ষ থেকে। ঋতু করিধাল ছিলেন চন্দ্রযান-৩ প্রোজেক্টে মিশন ডিরেক্টর। এর আগে ঋতু মঙ্গলযানের ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর ও চন্দ্রযান-২ এর মিশন ডিরেক্টর ছিলেন।করিধালের জন্ম উত্তর প্রদেশের লখনউতে। তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠেন। পরিবারে পড়াশোনার চল ছিল অনেক আগে থেকেই। তিনি লখনউ-র এক বেসরকারকারি স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। তিনি ছাড়াও তাঁর দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মহাকাশ নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশী। তিনি যেখানে থাকতেন, সেখানকার পরিবেশ তাঁর পড়াশোনার পক্ষে অনুকুল ছিলনা বলে তিনি সেলফ স্টাডি তে জোড় দেন। ঋতু ছোট থেকেই রাতের আকাশের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকত এবং মহাকাশের কথা চিন্তা করত, সে চাঁদের কথা ভাবত, কীভাবে এটি তার আকার ও রং পরিবর্তন করে, তারাগুলি কে পর্যবেক্ষণ করে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে ঐ গভীর অন্ধকারের পিছনে কী রয়েছে? তার কৈশোরে, তিনি মহাকাশ-সম্পর্কিত যেকোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সংবাদপত্রের প্রতিটি কাটিং সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন এবং ISRO এবং NASA-এর কার্যকলাপের উপর তাঁর সাংঘাতিক রকমের নজর ছিল।ঋতু লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পদার্থবিদ্যা বিভাগেই ডক্টরেট কোর্সে ভর্তি হন। পরে একই বিভাগে শিক্ষকতাও করেন। তিনি ছয় মাস লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা স্কলার ছিলেন। তিনি মহাকাশ প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর করার জন্য IISc, ব্যাঙ্গালোরে যোগদান করেন। বাকিটা ইতিহাস। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় অবদানের জন্য ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবকে রকেট ওমেন হিসাবেই স্মরণ করবে।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
রাজ্য

ফারাক্কা সেতুতে মালগাড়ি-ট্রাকের সংঘর্ষ, বড় বিপদ থেকে রক্ষা

মালদার ফারাক্কা সেতুতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা মারল পণ্য বোঝাই ট্রাক। সেই সময় ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি মালগাড়ি। সেই লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে মালগাড়ির। মুহূর্তের মধ্যে এই দুর্ঘটনায় ফারাক্কা ব্যারেজে রেলপথ এবং সড়কপথে যান চলাচল দীর্ঘক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এই দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে এই ব্যারেজে কর্মরত কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর জাওয়ানেরাও তড়িঘড়ি সেখানে ছুটে আসে। এরপর ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।জানা গিয়েছে, মালদার দিক থেকে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যাচ্ছিল একটি পন্য বোঝাযই ট্রাক। চালকের ভুলেই সেই লরিটি আচমকায় ফারাক্কা ব্যারেজের রেললাইন এবং রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। লরির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। জখম হয় ওই লরির চালক। সেই মুহূর্তেই ডাউন লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি যাচ্ছিল। সেই মালগাড়ির সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পণ্য বোঝায় লরির হালকা সংঘর্ষ বাঁধে । যদিও তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যদি ওই মাল গাড়ির বদলে যাত্রীবাহী কোন এক্সপ্রেস ট্রেন থাকতো, তাহলে ভয়ানক ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। এই ঘটনায় ফারাক্কা ব্রিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে মঙ্গলবার এই ঘটনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। পুলিশ এবং প্রশাসনের প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত ওই লরির চালক গাড়ি চালানোর সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল। যার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।তদন্তের পর দুই জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা জানতে পেরেছে, এতটাই গতি ছিল যে রেলিং ভেঙে মালগাড়িতে ধাক্কা মারে ট্রাকটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে ট্রাক্টারকে ধাক্কা মারে ওই লরিটি। পরে ফারাক্কা ব্যারেজের রেলিং ভেঙে ডাউন মালগাড়িতে ধাক্কা মারে। এমার্জেন্সি ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে পড়ে মালগাড়িটি। মালগাড়ি চালকের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর আতঙ্কে পড়ে যান অন্যান্য গাড়ির চালকেরাও। এর দরুন দীর্ঘক্ষণ ফারাক্কা ব্যারেজের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনিক তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আগস্ট ২২, ২০২৩
কলকাতা

আজ থেকে কতদিন বন্ধ কলকাতার ‘মা’ উড়ালপুল! কেন এই জরুরি সিদ্ধান্ত?

কলকাতার মা উড়ালপুল এসএসকেএম, এজেসি রোড থেকে ইএম বাইপাসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত দীর্ঘ উড়ালপুল মা। এই উড়ালপুল একাধিক জায়গা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। যান চলাচলেও দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে। ফলে যানজটে জেরবার হচ্ছে অবস্থা। ফলে মা উড়ালপুলের সংস্কার কাজের প্রয়োজন রয়েছে। যা করতে উদ্যোগীও হয়েছিল কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ। কিন্তু, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কথা চিন্তা করে এতদিন তাতে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। শেষমেশ কলকাতা পুলিশের ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডের অনুমোদন পেল কেএমডিএ। আজ রাত থেকেই মা উড়ালপুল মেরামতির কাজ শুরু হচ্ছে।কেএমডিএ সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার থেকে আগামী ৫ দিন রাত সাড়ে ১০টা থেকে পরের দিন সকাল ৭টা পর্যন্ত এই ব্যস্ত উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ চলবে। এই সময় উড়ালপুলে যান চলচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে।মা উড়ালপুলের সংস্কার কাজ নিয়ে এর আগে কেএমডিএ-র আধিকারিকদের সঙ্গে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের কর্তাদেরও বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। তারপরেই রফা সূত্র মেলে বলে খবর।কেএমডিএ সূত্রে খবর, শুধু মা উড়ালপুলের রাস্তা মেরামতির কাজই নয় একইসঙ্গে সিসিটিভি এবং কিছু বৈদ্যুতিন কাজও হবে এই পাঁচ দিন। জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার রাতে মা ফ্লাইওভার থেকে রুবিগামী র্যাম্প এবং সায়েন্স সিটি থেকে উড়ালপুলে ওঠার র্যাম্পের কাজ হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের বর ও বাংলাদেশের কনে, কাঁটাতার টপকে ঘর বেঁধেও হল না শেষরক্ষা

কথায় আছে বর্ধমানের বর আর বরিশালের কনে। এই জুটি ছিল নাকি সেরা জুটি। সোশাল মিডিয়ার বদান্যতায় জোরালো হয়েছে প্রেমের বাঁধন। দালাল চক্র ধরে কাঁটাতার পেরিয়ে বর্ধমানে এসে প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রেমিকা। কিন্তু দুজনেই এখন শ্রীঘরে। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে এদেশে এসেছেন প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম।প্রেমিকের টানে কাঁটাতার টপকে অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিয়েটাও সেরে ফেলেছিল পড়শি দেশের প্রেমিকা। কিন্তু সংসার আর জমে উঠল না। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বর্ধমান থানার পুলিশ প্রেমিক ও প্রেমিকা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম। আর প্রেমিক বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা এলাকার যুবক শেখ সামিম।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৮-এর প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিমের বাড়ি বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার এনায়েতনগরে। বর্ধমানের তেঁতুলতলার ২২ বছরের যুবক শেখ সামিমের সঙ্গে ফেসবুকের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয়। তারপর থেকেই প্রেমিকের টানে ভারতে আসার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে নূরতাজ। মাস তিনেক আগে বাংলাদেশের এনায়েতনগর থেকে বনগাঁ বর্ডার পৌছে যায় অষ্টাদশি নূরতাজ। দালাল ধরে এর পর সে অবৈধ ভাবে বর্ডার পার হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। অভিযোগ, এই কাজেও নাকি তাঁকে সাহায্য করে প্রেমিক সামিম। বর্ডার টপকেই নূরতাজ তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বর্ধমানের উদ্দশ্যে রওনা হয়। তেঁতুলতলায় প্রেমিকের বাড়িতেই সে ওঠে। সেখানে মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু আইনের গেরোয় তাঁদের সংসারে আপাতত ছেদ পড়েছে।এদিন দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক দুজনের জামিন নামাঞ্জুর করে জেল হেপাজতে পাঠিয়ে দেয়। ১ জুলাই ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

জুন ২৬, ২০২৩
রাজ্য

পূর্বস্থলীর হাবিবুল সেখের দেহ মঙ্গলবার মধ্যরাতে গ্রামে নিয়ে আসা হয়, উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গুজরাটে ব্রিজ ভেঙে মৃত পূর্বস্থলীর যুবকের নিথর দেহ ফিরল মঙ্গলবার ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ মৃত ওই যুবকের কেশববাটি বাড়িতে। মৃত দেহ বাড়িতে ফিরতে কান্নার রোল পড়ে যায় গোটা গ্রাম জুড়ে। উল্লেখ্য কেশববাটির গ্রামের ওই যুবক গুজরাটে কাকার কাছে সোনার কাজ শিখতে গিয়েছিলো। গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ গুজরাটের সেও ব্রিজের ওপর আর পাঁচজনের সাথে সেও উঠেছিল, আচমকাই ব্রিজ ভেঙে জলে পড়তেই ঘটে বিপত্তি, সোমবার গভীর রাতে পূর্বস্থলীর কেশববাটী গ্রামের বাড়িতে খবর পৌঁছায় মারা গেছে হাবিবুল সেখ নামের বছর সতেরোর ওই যুবক। এরপরই এ দিন মঙ্গলবার রাত ২টা ৩০ নাগাদ তাঁর নিথর দেহ গুজরাট থেকে ফেরে পূর্বস্থলীর কেশববাটির বাড়িতে। ওই রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্বস্থলী ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বদরুল আলম মণ্ডল সহ বিশিষ্টজনেরা। মন্ত্রী স্বপনবাবু এদিন বলেন গুজরাট মডেল চোখের সামনেই দেখাই যাচ্ছে,নবান্ন থেকে হোম সেক্রেটারি এবং জেলাশাসকের ফোনের পরই তাঁর বাড়িতে হাজির হয়েছি, পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছি, মৃত ওই যুবকের মায়ের হার্টের অসুখ রয়েছে তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে কিনা সেটিও আমরা দেখছি। রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে এই পরিবারের পাশে রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

মেমারির শ্রীধরপুরে বিজেপির প্রকাশ্য সমাবেশে টেট উত্তীর্ণদের চাকরির দাবী

ভারতীয় জনতা পার্টির মেমারি দুনম্বর মন্ডল এর ডাকে শ্রীধরপুর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রকাশ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। এই সভা থেকে দাবি তুলে ধরা হয় তাদের এই দিনের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বেশ কিছু দাবী দাওয়া তুলে ধরা হলো। অন্যতম হলো টেট উত্তীর্ণদের চাকরি দিতে হবে আগামী ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন রাখতে হবে , সন্ত্রাস তোলাবাজ মুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে তো এই দাবিগুলি তুলে ধরা হয়।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল, জেলার মহিলা নেত্রী দিপালী দাস, বর্ধমান পূর্ব কাটোয়া জেলার সাংগঠনিক সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়, জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার, জেলা সদস্য পিন্টু ভান্ডারী, মন্ডল সভাপতি তাপস পাল, সহ অন্যান্যরাও ভারতীয় জনতা পার্টি কর্মীবৃন্দ।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
দেশ

গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের কেশববাটি এলাকার কিশোর হাবিবুল শেখ

গুজরাটে ব্রিজ ভেঙে মৃত পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েত কেশববাটি এলাকার এক কিশোর। রবিবার গভীর রাতে সেই খবর পূর্বস্থলীর কেশববাটির বাড়িতে পৌঁছাতে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ দিন সোমবার সকাল থেকেই মৃত ওই যুবকের বাড়ির সামনে বহু লোক ভিড় করেন। মৃত ঐ কিশোরের নাম হাবিবুল শেখ। মাস দশেক আগে তার এক কাকার কাছে সে সোনার গহনার কাজের জন্য গিয়েছিল।গতকাল বিকালে সে ওই ব্রিজের উপর বেড়াতে যাওয়ার জন্য যায়। তখনই ঘটে বিপত্তি। বেশ কিছুক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর গতকাল রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এ দিন সোমবার সকালে মৃতের বাবা মহিবুল শেখ জানান ছেলে সোনার কাজের জন্য গিয়েছিল। সেখানেই থাকত, গতকাল গভীর রাতে এই মর্মান্তিক খবর পাই, ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

কাঠের সেতু ভেঙে লরি আটকে বিপত্তি গলসির পারাজে

ডিভিসি ক্যানালে কাঠের সেতু ভেঙে বিপত্তি। পূর্ব-বর্ধমানের গলসির পারাজে ডিভিসি সেচ ক্যানেলে লড়ির চলাচলের সময় কাঠের সেতু ভেঙে যায়। কাঠের চাতাল ভেঙে সেতুর মধ্যে আটকে গেল ১৪ চাকা ধান বোঝাই লরি। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা গেল ধান বোঝাই লরিটি।তবে ঘটনার জেরে ওই কাঠের সেতু দিয়ে যান চলাচল আপাতত বন্ধ। ভিনরাজ্য থেকে ধান বোঝাই করে গলসি এলাকায় যায় লরিটি। চালক প্রথমে ওই কাঠের সেতু পেড়িয়ে পারাজ গ্রামের পাশে একটি রাইস মিলে ধান খালি করতে গিয়েছিল। সেখানে ধান খালি না হওয়ায় লরিটি ওই রাস্তা লোড অবস্থায় ফেরত আসছিল। এরপর পারাজের ডিভিসি সেচ ক্যানেলের কাঠের সেতুতে উঠলে অত্যাধিক অজনের দরুন আচমকা সেতুর কাঠের পাটাতন ভেঙে যায়। এরপরই গাড়ির সামনের দিকে চাকা পাটাতনে ঢুকে যায়। তবে ঘটনায় কেউ জখম হয় নি।

অক্টোবর ২৯, ২০২২
রাজ্য

কলকাতা ও শহরতলির বাসিন্দাদের চতুর্থীতেই পুজোর বড় উপহার, শহরে বাড়বে যোগাযোগের গতি

ইতিমধ্যে হেমন্ত সেতুর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের সুখবর কলকাতাবাসীর কাছে। একেবারে পুজোর উপহার! নবনির্মিত টালা সেতুতে বাস চলাচলের অনুমতি দিয়েছে পূর্ত দফতর। চতুর্থী থেকে ওই সেতুতে বাস চলাচল করবে। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার সঙ্গে শহরতলির যোগাযোগ ফের গতি পাবে। ব্যস্ততা কমবে বেলগাছিয়া থেকে শ্যামবাজারের রাস্তার। এই ঘোষণায় খুশি নিত্যযাত্রীরা।২২ সেপ্টেম্বর টালা সেতুর উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনের ৪৮ ঘণ্টা পর শনিবার সকাল থেকে সেতুতে ছোট গাড়ি, যানবাহণের অনুমতি দেয় প্রশাসন। পুজোর মুখে চতুর্থী অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে টালা সেতুতে বাস চলার অনুমতি দিয়েছে পূর্ত দফতর। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর পর থেকে এই সেতুতে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়ায় পুজোর মরসুমে সুবিধা হবে সাধারণ যাত্রীদের। কলকাতা ও শহরতলীর বাসিন্দারা সহজে যাতায়াত করতে পারবে। ঘুর পথে গন্তব্যে যেতে হবে না। সময় সাশ্রয় হবে। শারদ উৎসব উপভোগ করতে পারবে কলকাতা ও শহরতলির বাসিন্দারা।প্রসঙ্গত, দক্ষিণে মাঝেরহাট ব্রিজ ভেঙে যেতেই উত্তরে টালা সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় ২০১৮-তে। ২০১৯ সালে পুজোর আগে রাইটস জানিয়ে দেয়, এই সেতুর অবস্থা ভাল নয়। ভেঙে নতুন করে সেতু নির্মান করা প্রয়োজন। এই রিপোর্ট পেতেই সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২০-এর ফেব্রুয়ারিতে টালা সেতু ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এপ্রিলে শেষ হয়। নতুন সেতু নির্মাণের কাজ করে নির্মাণকারী সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুবরো লিমিটেড। ৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৪৬৮ কোটি টাকা।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

মেমারির কো-অপারেটিভ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিল আদিবাসী সংগঠন

শুক্রবার মেমারি দুনম্বর ব্লকের শ্রীধরপুর কো-অপারেটিভ ব্যাংকে তিন দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দিল আদিবাসী সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল। এদিনের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্য থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের এক জনকে শ্রীধরপুর কোপারেটিভ ব্যাংকের বোর্ডের মেম্বার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, আদিবাসী সম্প্রদায়ের যোগ্যতা সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।এই সমস্ত দাবি-দাওয়া নিয়ে স্লোগান সহ তারা হাজির হন শ্রীধরপুর কো অপারেটিভ ব্যাংকের প্রধান শাখায়। এবং সেখানে ডেপুটেশন দেন আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত এক বিশেষ প্রতিনিধি দল। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মজুত ছিল পুলিশ বাহিনী। ডেপুটেশন প্রতিনিধির দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতগেছিয়া এক নম্বর পরগনার দিলীপ মুর্মু, এলাকার সকল মাঝি বাবা সহ আরো অনেকে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাংলার সঙ্গে দীর্ঘ ক্রিকেট জীবনের সম্পক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান

২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলার সিনিয়র দলের জার্সি গায়ে অভিষেক। তারপর মাঝে কেটে গেছে ১৫টা বছর। অবশেষে ১৫ বছর পর বাংলার ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। বাংলা থেকে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য ছাড়পত্র নিয়ে নিলেন। চললেন ত্রিপুরায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে ত্রিপুরার হয়ে রনজি খেলতে দেখা যাবে ঋদ্ধিমানকে। সামনের সপ্তাহেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে ত্রিপুরার সঙ্গে চুক্তি।সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ সিএবিতে আসেন ঋদ্ধিমান সাহা। তার আগেই সিএবিতে পোঁছে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ও সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। তিনজনের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হয়। টানা ৪০ মিনিট ধরে বৈঠক হয়। ঋদ্ধিমানকে বাংলা ছেড়ে না যাওয়ার অনুরোধ করেন অভিষেক ডালমিয়া ও স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। দুজনের অনুরোধে সাড়া দেননি ঋদ্ধি। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। সিএবির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহা সিএবিতে এসে সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার কাছে রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য এনওসি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋদ্ধিমানের জন্য শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে। ভারতীয় টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঋদ্ধি সিএবিকে জানিয়েছিলেন, তিনি এবছর রঞ্জি খেলবেন না। পারিবারিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান। তারপরই সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস ঋদ্ধিমানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ঋদ্ধিমান দাবি করেছিলেন দেবব্রত দাসের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা। সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া অবশ্য দেবব্রতর বক্তব্যের দায় নিতে চাননি। এরপর রঞ্জি কোয়ার্টার ফাইনালে ঋদ্ধিমানকে বাংলা দলে রাখা হয়। কিন্তু ঋদ্ধির অভিযোগ ছিল, তাঁকে না জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত। এরপরই তিনি বাংলার হয়ে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। এনওসি পেয়ে ঋদ্ধি বলেন, বাংলা না ছাড়ার জন্য আমাকে আগেও অনুরোধ করা হয়েছিল। আজকেও অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আগে থেকেই আমার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। আজ এনওসি নিয়ে নিলাম। কোন রাজ্যের হয়ে খেলবেন, সে প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি। বেশ কয়েকটা রাজ্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানাব। ত্রিপুরার সঙ্গে কথা অনেকদূর এগিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে চূক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বাংলার সঙ্গে তাঁর কোনও ইগোর লড়াই ছিল না বলে জানিয়েছেন ঋদ্ধিমান।

জুলাই ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দর বাড়ানোর খেলায় মেতেছেন!‌ ঋদ্ধিকে নাকি প্রস্তাবই দেয়নি বরোদা–গুজরাট

সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া আসরে নামলেও বরফ গলেনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ঋদ্ধির কাছে নাকি বেশ কয়েকটি রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তাব রয়েছে। এই তালিকায় বরোদা ও গুজরাটও ছিল। কিন্তু বরোদা ও গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহাকে তাদের রাজ্যের হয়ে খেলার কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষকর্তা অনিল প্যাটেল বলেছেন, ঋদ্ধিমান সাহাকে গুজরাটের হয়ে খেলার জন্য কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। হেট প্যাটেল নামে আমাদের একজন তরুণ উইকেটকিপার রয়েছে। ও দারুণ খেলছে। ঋদ্ধিমানকে দলে নিয়ে কেন আমরা ওর ক্রিকেটজীবন নষ্ট করব?বরোদার পক্ষ থেকেও ঋদ্ধিকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়শনের সচিব অজিত লেলে এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখান থেকে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, গত একমাস ধরে আমি দেশের বাইরে। ঋদ্ধিমান সাহাকে আমাদের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার কোনও খবর আমার কাছে নেই। অম্বাতি রায়ুডুকে আমরা নিয়েছি। নতুন করে ঋদ্ধিকে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। ত্রিপুরা অবশ্য ঋদ্ধির ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু ঋদ্ধির আর্থিক চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে কিছুটা হলেও অনীহা রয়েছে।এদিকে, বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে তাঁর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ঋদ্ধি। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। ঋদ্ধিমান জানিয়েছেন, ওই একবারই নয়, বোরিয়া মজুমদার নাকি আগেও এইরকম কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, আমি দেখাতে চেয়েছিলাম একটা সাক্ষাৎকারের জন্য একজন সাংবাদিক কতটা নীচে নামতে পারেন! আমি পরে জানতে পেরেছি ওই সাংবাদিক এমনটা আগেও করেছেন। সে কারণেই বিসিসিআই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে এবং ওই সাংবাদিককে শাস্তি দিয়েছে। আমি প্রথমে মুখ খুলিনি বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকার শর্ত মেনেই। ঋদ্ধিমান আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম যে হুমকির ঘটনার কথা প্রকাশ্যে নিয়ে আসব না। কেন না, সকলেরই কেরিয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি এমন আচরণের পরেও কারও আক্ষেপ না থাকে, তাহলে কতক্ষণ আর চুপ থাকা যায়?

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের মরশুমে কি গুজরাটের হয়ে খেলবেন ঋদ্ধিমান?‌

বাংলা যে ছাড়ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা ছেড়ে সামনের মরশুমে কোন দলের হয়ে রনজি খেলবেন ঋদ্ধিমান সাহা? এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে বিশ্বস্তসূত্রের খবর, সামনের বছর গুজরাটের হয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে দেশের অন্যতম সেরা এই উইকেটকিপারকে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নাকি প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়ে গেছে ঋদ্ধিমান সাহার।এবছর রনজি শুরুর আগে পারিবারিক কারণ ও ক্লান্তির জন্য বাংলার হয়ে রনজি না খেলার কথা জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাড়াছা জাতীয় দলে তাঁকে যে আর ভাবা হবে না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাই রনজি খেলার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর রনজি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। প্রশ্ন তুলেছিলেন ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়েও। দেবব্রত দাসের মন্তব্য ভালভাবে নেননি ঋদ্ধি। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঋদ্ধিকে। কিন্তু দেবব্রত দাস রাজি হননি। ঋদ্ধি তখনই ঠিক করেন, বাংলার হয়ে আর খেলবেন না।রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের দল গঠনের সময় ঋদ্ধিকে না জানিয়েই টিমে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। এতে আরও ক্ষেপে যান তিনি। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে পরিস্কার জানিয়ে দেন বাংলার হয়ে তিনি আর খেলবেন না। বাংলা থেকে ছাড়পত্র নিতে চান। অভিষেক ডালমিয়া থেকে শুরু করে বাংলার কোচ অরুণলালও ঋদ্ধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাতেও বরফ গলেনি। আইপিএল চলাকালীনই বাংলার রনজি দলের হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ঋদ্ধি। তখনই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায় যে, বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।আইপিএলের ফাইনাল খেলে বুধবার কলকাতায় ফিরছেন ঋদ্ধিমান। তারপরই তিনি সিএবিতে যাবেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে। সামনাসামনি বৈঠকে দুই পক্ষের বরফ গলে কিনা এখন সেটাই দেখার। অভিষেক ডালমিয়া যদি ঋদ্ধির মান ভাঙাতে পারেন, তাহলে বাংলারই লাভ।

জুন ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal